google-site-verification: google1073b60c0af5bdcc.html আমি ও আমার জীবনের রাজনৈতিক ট্রাজেডি (পর্ব-০৩) - Lebu-Techno Bangla, social media setting, website disign,Android apps review,Tutorial Bangla

Header Ads

Header ADS

আমি ও আমার জীবনের রাজনৈতিক ট্রাজেডি (পর্ব-০৩)

আমি ও আমার জীবনের রাজনৈতিক ট্রাজেডি                                       পর্ব-০৩
আসসালামু আলাইকুম,
বন্ধুরা,কেমন আছেন?আশাকরি অনেক ভাল আছেন।আপনাদের ভাল আমার কাম্য। রাজনীতি নামটি খুব ভাল।
যার অর্থ রাজকীয় নিয়ম বা নীতি বা বিধান বা আইন। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতি তার উল্টো। এখানে রাজনীতির অপনীতি শুরু হয়ে গেছে।

বাংলাদেশের রাজনীতি মানে ক্ষমতাসিনরা বিরোধী বা  অন্যান্য দলের উপর অত্যাচার, জেল জুলুম,গুম,খুন,প্রেষাণী,হয়রানি যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।

আজকের পর্বে আমার জীবনের রাজনীতি নিয়ে একটু আলোচনা করবো।এজন্য পুরা লেখাটি পড়বেন,কমেন্টস করবেন,ভাল লাগলে শেয়ার করবেন।

আমি যখন ৬ ষ্ঠ কিংবা ৭ম শ্রেণী পড়ি অর্থাৎ ১৯৮৮ সালের বাংলাদেশের বন্যার কথা আপনাদের মনে পড়ে কিনা জানি না।
তবে আমার অনেক মনে পড়ে।মনে পড়ার অবশ্য কারণ আছে।কারণটা হলো উক্ত বন্যায় কোন এক এলাকায় তৎকালিন প্রেসিডেস্ট আলহাজ্ব হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ  নিজেই এক গলা পানিতে নেমে বন্যার্তদের ত্রাণ দিচ্ছে।
এ রকম দৃশ্য টিভিতে মুগ্ধ হই। সেই দৃশ্যগুলো আজো ভুলতে পারিনা।কারন  কোমলমতি প্রাণে যা দাগ লেগে যায় তার আরও ভোলা যায়় না।ধীরে ধীরে এরশাদকে তথা জাতীয় পাটিকে ভালবাসতে শুরু করি।
এই ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে আমার এসএসসি পাশের পর অর্থাৎ ১৯৯২ সালে জাতীয় পার্টিতে যোগদানের মাধ্যমে। এরপর ভেন্ডাবাড়ী ইউনিয়ন শাখায় ছাত্রসমাজ সংগঠনে পরপর ৪ বার সেক্রেটারি পদে ও পরে আবার ৫বার সভাপতি নির্বাচিত হই।
১৯৯৬ সালে পীরগঞ্জ শাহ্ আব্দুর রইফ কলেজের ছাত্র সংসদে জাতীয় পার্টি থেকে জিএস পদে নির্বাচন করে মাত্র ৭ ভোটে হেরে যাই।আমার রাজনৈতিক জীবনে অনেক পরিশ্রম করি।সভায় যথাসময়ে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করে থাকি।আমার জানামতে কোন মিটিং বা প্রগ্রাম মিস্ করার রেকর্ড নেই।এভাবে চলছিল জাতীয় পার্টির রাজনীতি।
পরবর্তি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ চাপের মুখে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ায় পীরগঞ্জে উক্ত পার্টির ধ্বস নামে। ফলে ঐ পার্টি থেকে নেতা কর্মীরা অন্যান্য দলে যোগ দেন। তারপরও আমি ছিলাম।অবশেষে কুলকিনারা না পেয়ে ২০১৪ সালে তৎকালীন বিএনপি রংপুর জেলার  সেক্রেটারী ও পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব মোঃসাইফুল ইসলাম সাইফুল ভাই এর নিকট বিএনপি তে যোগদান করি।

তারপর ভালভাবে চলে পার্টির কর্মকান্ড ও আমার সম্পৃক্ততা। নিয়মিত চলছিল পার্টিতে অংগ্রহণমুলক তৎপরতা। দিনে দলে আমার সুনাম ও দলীয কর্মদক্ষতা বাড়তে থাকে।আমার এসব দলীয় কর্মকান্ড উন্নতির  মুল হোতা আমাদের নেতা সাইফুল ভাই। আরো যারা আমাকে দলীয় সাহস দিয়েছেন, সাপোর্ট দিয়েছেন তাদের নাম না উল্লেখ করলেই নয়।
পীরগঞ্জের সেলিম ভাই,সাইফুল আজাদ ভাই,করিম ভাই,মোস্তফা প্রেস ভাই,সেবু ভাই।এলাকার ছেলে হিসাবে আমাকে যথেষ্ট ভালবাসে, যে ছোটটির হাত ধরে দলে যোগদান করেছি, যে প্রতিটি দলীয় কর্মে সাথে থাকতো সেই ছোট ছেলেটির নাম আনোয়ার, পাকুড়িয়া।রংপুরের অনেক নেতা কর্মী আমাকে ভালবাসতো সাহস দিতো। তাঁরা হলেন হারুন ভাই,সৌরভ।
এ রকম অনেক অনেক নেতাকর্মী আমাকে সাহস দিয়েছিলেন।
 নিঃস্বার্থভাবে দলের সকল কার্যক্রম অংশগ্রহণ করি।কিন্তু কোন ভারিভোজন পদ চাইনি, তারপরও ২০১৭ সালে পীরগঞ্জ উপজেলার বিএনপি কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে পদ তালিকায় আমার নামটি নির্বাচিত হয়। উপজেলা বিএনপি সদস্য পদ পাওয়ার অনেকে ফেসবুকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
 উপজেলা সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ায় এলাকায় বিভিন্ন দলের মধ্যে এর প্রভাব পড়ে।

তো বন্ধুরা আজ এ পর্যন্ত।সবার সুস্বাস্থ্য কামণা করি এবং আমার আজকের লেখাটি কেমন লাগল তা কমেন্ট বক্সে জানাবেন এবং পরের পর্বের প্রতিক্ষায় থাকার জন্য অনুরোধ রেখে এখানে শেষ করছি।খোদা হাফেজ।











কোন মন্তব্য নেই

[email protected]

Blogger দ্বারা পরিচালিত.