google-site-verification: google1073b60c0af5bdcc.html করোনা ভাইরাস কী? বাঁচতে হলে জানতে হবে - Lebu-Techno Bangla, social media setting, website disign,Android apps review,Tutorial Bangla

Header Ads

Header ADS

করোনা ভাইরাস কী? বাঁচতে হলে জানতে হবে












চীন-ভারতসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে 'করোনা  ভাইরাস সংক্রমণের ফলে আতংকের সৃষ্টি হয়েছে। এই আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ১৭ জন।আক্রান্ত রোগটির সংখ্যা ৫০০ এর উপরে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউ এইচ ও)ইতিপুর্বে শতর্কতা জারি করেছেন। তো বন্ধুরা আজকে আমি করোনা ভাইরাস কী?এর ভয়াবহতা, উপসর্গ,কারন ও চিকিৎসা বা প্রতিকার সমন্ধে আলোচনা করবো।

★করোনা ভাইরাস কীঃ-করোনা ভাইরাসের অপর নাম ২০১৯-এনসিওভি।এটি এক ধরনের ভাইরাস। যার নাম করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসের অনেক প্রকার প্রজাতি আছে।তবে এর ৭ প্রকার প্রজাতি মানুষের শরীরে সংক্রমিত হতে পারে।বিজ্ঞানিরা বলেছেন, ভাইরাসটি মানবদেহে প্রবেশ করে দেহকোষের ভিতরে মিউটেট সৃষ্টি করে।গঠন পরিবর্তন করে নতুন রুপ নেয়,সংখ্যা বৃদ্ধি করে।ফলে এটি আরো বিপদজনক হয়ে উঠতে পারে।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে,এই ভাইরাস একজন মানুষের দেহ থেকে আরও এক মানুষদের দেহে বাতাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।

★করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতাঃ-এই ভাইরাস মানুষের ফুসফুসে  সংক্রমণ হয়।একজনের শ্বাসতন্ত্রের মধ্য দিয়ে বায়ুর মাধ্যমে আর একজনের ফুসফুসে প্রবেশ করে।সাধারণত ফ্লু বা ঠান্ডা লাগার মতো হাঁচি-কাশি দিয়ে শুরু হয়।পরবর্তিতে চরম আকার ধারণ করে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।এক দশক আগে সিভিয়ার একিউট রেসপাইরেটরী সিনড্রোম-সার্স নামের একটি ভাইরাসে মারা গেছে ৮০০ জনেরও উপরে,যা ছিল একধরনের করোনা ভাইরাস। এতে আক্রান্ত হয়েছিল ৮০০০ এরও বেশী মানুষ।

★উপসর্গ বা লক্ষণঃ-করোনা ভাইরাসের প্রধান উপসর্গ বা লক্ষণ হচ্ছে শ্বাসকষ্ট, জ্বর,হাঁচি,কাশি।বিজ্ঞানিরা বলেছেন যে,ভাইরাসটি দেহে প্রবেশ করার পরে ৫-৭দিনের মধ্যে উপসর্গ বা লক্ষণ দেখা দেয়।প্রথমে আসবে জ্বর,তারপর হাঁচি ও শুকনো কাশি।তারও ৫-৭ দিন পর চরম আকারে শ্বাসকষ্ট শুরু হবে।আর তখনেই কোন কোন রোগিকে হাসপাতালে পাঠাতে হবে।

★এর কারণঃ- মধ্যচীনের মহান শহর থেকে এই ভাইরাসের উৎপত্তি।৩১ ডিসেম্বর/২০১৯ ঐশহরে এই ভাইরাসে নিমুনিয়ার মতো ছড়ায়।এরপর ১১জানুয়ারি/২০২০ এ  একজনের মৃত্যু হয়।এই জীবাণুটি কোন পশুর শরীরে বাসা বাঁধে।ওখান থেকে বাতাসের মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে।বাদুড় জাতীয় পাখির শরীরে এর বসবাস।ঐ সবাই পশু বা পাখির শরীর থেকে করোনা ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে মানব ফুসফুসে প্রবেশ করে। ফলে আক্রান্ত হয়।চীনের চিকিৎসা বিজ্ঞানিরা বলেন যে, ঠান্ডা এর মুল কারণ।আর এক কারণ বাদুড় জাতীয় পাখি,  গন্ধগোকুলের প্রাণীর দেহ এ-ই ভাইরাসের প্রধান কারন।তাছাড়া আউটের দেহওতে এই ভাইরাস লক্ষ  করছেন বিজ্ঞানিরা।বেলুগা জাতীয় তিমির দেহে এ-ই ভাইরাস সনাক্ত করেছেন তারা।

★করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা বা প্রতিকারঃ-ভাইরাসটি নতুন হওয়ায় এর প্রতিষেধক কোন টীকা বা কোন ঔষধ এখন পর্যন্ত বের করতে পারেনি।এমনকি এর কোন চিকিৎসা ও নেই।তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(ডাব্লিউ এইচও) বলেছেন যে,যেহেতু এর কোন প্রতিষেধক ব্যবস্থা নেই।তাই কঠোর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।সবসময় হাত-মুখ পরিস্কার পরিছন্নতা রাখতে হবে,ঘরের বাহিরে বের হলে মাকসুদ ব্যবহার করতে হবে।
হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডঃ গ্যাব্রিয়েল লিউং বলেছেন  হাত,মুখ সবসময় পরিস্কার রাখতে হবে,ঘরের বাহিরে গেলে মুখোস পড়তে হবে।খালি হাত দিয়ে মুখ ঘষা যাবেনা।

তো বন্ধুরা এই ভাইরাস যেহেতু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তর ঘটিতেছে।তাই বাংলাদেশে এই ভাইরাস আসতে কতক্ষন। অতএব আমরাও এই সতর্কতা অবলম্বন করবো,তাই না?ভাল থাকবেন,সবাই।

যদি পারেন এ-র ভিডিওটি দেখতে পারেনঃ-https://youtu.be/KhTUZK9IvFc

কোন মন্তব্য নেই

[email protected]

Blogger দ্বারা পরিচালিত.