google-site-verification: google1073b60c0af5bdcc.html বিশ্বের মহাচর্য্য পানির নিচের কিছু শহর ও স্থাপনা - Lebu-Techno Bangla, social media setting, website disign,Android apps review,Tutorial Bangla

Header Ads

Header ADS

বিশ্বের মহাচর্য্য পানির নিচের কিছু শহর ও স্থাপনা

বিশ্বের মহাচর্য্য পানির নিচের কিছু শহর ও স্থাপনা

ছবি-পানির নিচের স্থাপনা


বিশ্বের মহাচর্য্য পানির নিচের কিছু শহর ও স্থাপনা
আমরা জানি, পৃথিবীর মোট আয়তনের ৩ ভাগ জল,১ভাগ স্থল।এই ১ভাগ স্থলে মানুষের বসবাসসহ অনেক সুন্দর সুন্দর শহর,দর্শনীয় জায়গা বা স্থাপনা রয়েছে।কিন্তু কখনো কি শুনেছেন বা  দেখেছেন  পানির নিচে সুন্দর সুন্দর শহর বা স্থাপনা?  হয়তো একটু একটু শুনেছেন বা কোনদিন ও শোনেননি।
এবার তাহলে শুনুন  পানির নিচের ঐসব মহা আচর্য্য স্থাপনার বর্ননা।
বিশাল রাশি পানির মাত্র ৫%পানিতে এসব স্থাপনা খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানিরা।আরও যদি ১০০% পানিতে এরকম স্থাপনা করা হতো, তাহলে পৃথিবীর  জলভাগ কতই না সুন্দর হতো, তাই না?

★লেক বাই কার্লঃ-এই লেকটি রাশিয়ার ইরবুথ   অঞ্চলের ঠান্ডা একটি লেক।লেকের পাশ্বদিয়ে বড়ো বড়ো গাড়ী যাওয়ার সময় ড্রাইভাররা রাস্তা ঠিকভাবে দেখতে না পেয়ে গাড়ি লেকে আটকে যায়, তলিয়ে যায় না। কারণ লেকটি বরফাচ্ছন্ন। জানা যায় এই লেকে ম্যাগনেটিক সিস্টেম রয়েছে। এটি গভীর ও পুরানো একটি লেক।

পৃথিবীর ফ্রেস পানির ২২% পানি এখানে রয়েছে। লেকটি ৫০০০ ফিট গভীর।

গত ১৫ বছরে এই লেকটিতে খোয়া গেছে -৯২ টি গাড়ী,১৮ টি বোট,৫৫টি মোবাইল, মোটরসাইকেল। এমনকি হেলিকপ্টার বা ট্রেনও রেহাই পায়নি এই লেক থেকে।এইগুলি ওখান থেকে তোলা জরুরি।নইলে ওদের জ্বালানি দ্বারা ঐ লেকের পানি দুষিত হবে,এজন্য সেখানে ডুবুরি নামিয়ে দেয়া হয়ে সেখানে।
কিন্তু কোন ফল হয়নি।অর্থাৎ সেগুলো তোলা সম্ভব হয়নি।

 ডুবুরিরা  ঐ লেকের পানিতে নেমে দেখলেন যে রাইনোসর নামের প্রাণী।  আজব এই প্রানীগুলি বড়ো বড়ো লম্বায় ১০ ফিট।এ রাখা দেখতে খুবই ভয়ংকর।
আবার সেখানে কাঠের তৈরি বাসাও দেখতে পাওয়া যায়। অনেকের ধারণা পুর্বে এখানে বসতবাড়ি ছিল। যা বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধ্বংশ হয়ে যায়। 
মিল্ক ফিসার নামের এক ডুবুরি পানির নিচের সম্পদ পেয়ে ধনী হয়ে।

১৬২২ সালে দুর্যোগে পড়ে একটি জাহাজ ডুবে যায়। সেই জাহাজে প্রচুর সম্পদ ছিল।এতে ৪০-৫০ টান দামী দামী সোনাদানাসহ সম্পদ ছিল।আর সেই জাহাজের সম্পদ পেয়ে ফিসার ধনী হয়ে যায়।

★ম্যাক্সিকান ক্যাথাড্রালঃ-মাঝে মাঝে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ভুমিকম্প,সাইক্লোন,ঘুর্ণিঝড় ইত্যাদির কারনে কিছু কিছু শহর বা বন্দর পানির নিচে তলিয়ে যায়।এ রকম ঘটনা ঘটেছে ম্যাক্সিকান ক্যাথাড্রালের সাথে।এটি ৫০ বছর পুর্বে গায়েব হয়ে যায়।৫০০ বছরের পুরানো এই ক্যাথাড্রালটির নাম ছিল 'টেম্পল  অব স্যান্টিয়াগো'।

১৬০০ শতাব্দীতে স্পেনিসরা এটি তৈরি করেছিলেন। এটা ৪৮ফুট উচু।
বন্যা বা জলোচ্ছ্বাসের পানি নেমে যাওয়ার পরে এটি আবার বের হলো।এটা দেখার জন্য হাজার হাজার টুরিস্ট ভীড় জমায়।

কোন কোন জাহাজ ডুবে গেলে এর আংশিক দেখা যায়।১৮৮৫ সালে সুইব স্ট্রিক নামের এই জাহাজটি কয়লাসহ ডুবে যায়।এর পর কোন রকম রেসকিউ করে জাহাজটি তীরে নিয়ে আসে।এটি দেখার জন্য টুরিস্টরা আসে এবং তারা পানির নিচের অংশটি অনেকে ডুবে ডুবে দেখে।এই জাহাজটি টুরিস্টদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।

★আন্ডার ওয়াটার মিউজিয়ামঃ-আমরা হয়তো অনেক মিউজিয়াম দেখেছি কিন্তু পানির নিচে মিউজিয়াম কখনো দেখিনি।পানির নিচের মিউজিয়ামটির নাম 'মিউজিয়াম আটলান্টিকো' যা স্পেনে অবস্থিত। ব্রিটিশ আর্টিস্ট জেসন টেইলর পানির নিচের এই মিউজিয়ামে নিপুণভাবে অনেক পরিশ্রম করে এই স্টাচু বা মুর্তগুলোর কারুকাজ নিজ হাতে করেছেন।এখানে ২০০  এর বেশি মুর্তি বানিয়েছেন।
 এগুলো এমন উপাদান বা এমনভাবে বানিয়েছেন যাতে পানি খয়ে না যায়।আর তিনি স্টাচুগুলো সার্কেল আকারে সাজিয়ে রেখেছেন এবং সেগুলো এমনভাবে সাজিয়েছেন যাতে কোন সামুদ্রিক মাছ বা প্রাণীর চলাচলে কোন প্রকার বাধা বিঘ্ন না ঘটে নিরিবিলিভাবে চলতে পারে।

★পানির নিচে শহরঃ-পানির নিচে শহর ব্যাপারটা কেমন না? আসলে গ্রীসের দক্ষিণ অঞ্চলে সমুদ্রের ১৩ ফুট নিচে একটি পুরাতন ও বিখ্যাত শহর খুঁজে পাওয়া যায়।
এটি তৈরি করা হয় আনুমানিক ৫০০০বছর পুর্বে।কিন্তু এটির নাম এখনো জানা যায়নি।শোনা যায় এটি একটি উন্নত ও বিখ্যাত শহর ছিল যা ভুমিকম্পে তলিয়ে যায়।এটি দেখার জন্য হাজার হাজার টুরিস্টের আগমন ঘটে।

সুপ্রিয় বন্ধুরা তাহলে লেখা এখানে শেষ।ভলো থাকবেন

কোন মন্তব্য নেই

[email protected]

Blogger দ্বারা পরিচালিত.